কনটেন্টে যান

Amazon অ্যাকাউন্ট কেনা: ক্রেতা ও বিক্রেতা প্রোফাইলের পার্থক্য বুঝে নিন

Amazon বলতে কেউ বোঝেন কেনাকাটার অ্যাকাউন্ট, কেউ বা বিক্রেতার দিকের অ্যাকাউন্ট, আর এই দুটির প্রয়োজন সম্পূর্ণ আলাদা। তাই আগে ঠিক করুন কোন ধরনের অ্যাকাউন্ট আপনার কাজে লাগবে, তারপর লিস্টিংয়ের বিবরণ থেকে সেটি চিনে নিন। এই গাইডে আঞ্চলিক মার্কেটপ্লেসের বিষয়, rStock-এ কেনার ধাপ এবং পাওয়ার পর গোপনীয়তা রক্ষার কথা আছে।

সর্বশেষ আপডেট:

rStock ক্যাটালগে

Amazon

এই মুহূর্তে কোনো সক্রিয় লিস্টিং নেই

ক্যাটাগরিতে যান

Amazon অ্যাকাউন্টের ধরন: ক্রেতা, বিক্রেতা ও আঞ্চলিক মার্কেটপ্লেস

Amazon নামটি শুনলে সাধারণত অনলাইন কেনাকাটার কথা মনে আসে, কিন্তু এর পেছনে অন্তত দুই রকম অ্যাকাউন্ট থাকে। একটি ক্রেতার, যার মাধ্যমে পণ্য কেনা হয়; অপরটি বিক্রেতার পক্ষের, যেখানে ব্যবসা-সংক্রান্ত কাজের তথ্য থাকে। দুটির প্রয়োজন ও সতর্কতা আলাদা, তাই লিস্টিং কোনটির কথা বলছে তা আগে পরিষ্কার হওয়া চাই।

আরেকটি বিষয় আঞ্চলিক মার্কেটপ্লেস। Amazon বিভিন্ন দেশ বা অঞ্চলের জন্য আলাদা সাইট চালায়, আর একটি অ্যাকাউন্ট কোন অঞ্চলের সঙ্গে জোড়া, তা ব্যবহারের অভিজ্ঞতায় ফারাক ঘটাতে পারে। মানুষ সাধারণত এসব প্রয়োজনে আলাদা অ্যাকাউন্ট খোঁজেন:

  • শুধু নিজের কেনাকাটার জন্য পৃথক ক্রেতা অ্যাকাউন্ট;
  • পরিবারের কোনো সদস্যের জন্য আলাদা লগইন;
  • ছোট ব্যবসার কাজে বিক্রেতা-পক্ষের অ্যাকাউন্ট;
  • নির্দিষ্ট দেশের মার্কেটপ্লেসের সঙ্গে জোড়া অ্যাকাউন্ট।

নিজেকে একটি সহজ প্রশ্ন করুন: আপনি কি শুধু পণ্য কিনতে চান, নাকি বিক্রয়ের কাজ সামলাতে চান? উত্তর স্পষ্ট হলে লিস্টিং বাছা অনেক সহজ হয়, কারণ তখন বিবরণে ঠিক কী খুঁজতে হবে তা আপনার জানা থাকে।

লিস্টিংয়ে কোন বিবরণ থাকা দরকার

লিস্টিংয়ে অন্তত এই প্রশ্নগুলোর উত্তর খুঁজে দেখুন:

  • ধরন: এটি ক্রেতার অ্যাকাউন্ট, নাকি বিক্রেতার দিকের অ্যাকাউন্ট?
  • অঞ্চল: কোন দেশের মার্কেটপ্লেসের সঙ্গে জোড়া?
  • সংযুক্ত ইমেইল: লগইনের ইমেইল এবং তাতে ঢোকার তথ্য বিবরণে আছে কি?
  • সঙ্গে থাকা তথ্য: প্রোফাইলের নাম, ঠিকানা বা অন্য কোনো তথ্যের উল্লেখ আছে কি না।
  • শর্ত: কোনো বিশেষ সীমাবদ্ধতা বা সতর্কবার্তা।

এর কোনোটি অনুপস্থিত থাকলে সেটিকে অস্পষ্টতা হিসেবে ধরুন। বিশেষ করে অঞ্চলের কথা না থাকলে বোঝা যায় না অ্যাকাউন্টটি কোন সাইটের জন্য; সেই দ্বিধা নিয়ে কেনা ঠিক নয়। কেনার আগে বার্তা পাঠানোর কোনো ব্যবস্থা rStock-এ নেই, তাই স্পষ্ট বিবরণসহ লিস্টিংকেই অগ্রাধিকার দিন।

স্টোর দেখে সিদ্ধান্ত: রেটিং, বিক্রয়ের সংখ্যা ও বিমা ব্যালেন্স

rStock স্টোরকে অনুমোদন দেয় এবং লিস্টিং প্রকাশের আগে পর্যালোচনা করে, কিন্তু ডেলিভারি করা অ্যাকাউন্টের ভেতরটা পরীক্ষা করে না, প্রত্যয়নও দেয় না। তাই স্টোরের প্রোফাইলই আপনার প্রধান সূত্র:

  • বিক্রয়ের সংখ্যা ও রেটিং একসঙ্গে পড়ুন; একটি বাদ দিয়ে অন্যটি দেখলে ছবি অসম্পূর্ণ থাকে।
  • ডেলিভারির পর ক্রেতারা রিভিউ লেখেন এবং তা দৃশ্যমান থাকে। রিফান্ড হওয়া অর্ডার লেবেলযুক্ত থাকে, তাই সেসব রিভিউয়ের কারণ পড়ে নিন।
  • বিমা ব্যালেন্স হলো স্টোর প্ল্যাটফর্মের কাছে যে অর্থ রেখেছে তা; এটি আস্থার একটি সংকেত।

ক্রেতা ও বিক্রেতা অ্যাকাউন্ট আলাদা হওয়ায় রিভিউতে আপনার কাঙ্ক্ষিত ধরনের উল্লেখ আছে কি না, সেটিও খুঁজে দেখুন। স্পনসরড স্থান সবসময় লেবেলসহ দেখানো হয়।

ধাপে ধাপে কেনা: ব্যালেন্স, পরিমাণ ও অর্ডার পেজ

প্রথম ধাপ ইমেইল যাচাই; এটি ছাড়া কেনা বা টপ-আপ করা যায় না। দ্বিতীয় ধাপে Cryptomus-এর মাধ্যমে ক্রিপ্টোকারেন্সি দিয়ে rStock ব্যালেন্স টপ-আপ করুন, যা USDT-তে জমা হয়। rStock-এ আর কোনো পেমেন্ট পদ্ধতি নেই।

তৃতীয় ধাপে Amazon ক্যাটাগরি পেজ থেকে লিস্টিং বেছে নিন। একবারে একটি পণ্যই কেনা যায়, তবে সেই পণ্যের কতটি নেবেন তা আপনি ঠিক করেন। চতুর্থ ধাপে অর্ডারের মূল্য ব্যালেন্স থেকে কাটা হয়, আর ডেলিভারি হওয়া তথ্য অর্ডার পেজে ডেলিভারি রেকর্ড হিসেবে থাকে। একই আইটেম দুজনের কাছে বিক্রি হওয়া সিস্টেম আটকায়। আপনার অর্থ ধরে রাখা হয়, স্টোরের হাতে অবিলম্বে যায় না।

ডেলিভারির পর পেমেন্ট ও ঠিকানার তথ্য গোপন রাখা

Amazon অ্যাকাউন্ট সাধারণত কেনাকাটার ইতিহাস, সংরক্ষিত ঠিকানা ও পেমেন্টের তথ্যের সঙ্গে জড়িত থাকে, তাই গোপনীয়তার দিকটি এখানে বিশেষ গুরুত্ব পায়। হাতে পাওয়ার পর এই ক্রমে এগোন:

  1. লগইন করে দেখুন, অ্যাকাউন্টের ধরন ও অঞ্চল বিবরণের সঙ্গে মেলে কি না।
  2. পাসওয়ার্ড বদলান এবং রিকভারি ইমেইল ও ফোন নম্বর নিজের নিয়ন্ত্রণে থাকা তথ্য দিয়ে হালনাগাদ করুন।
  3. দুই-ধাপ যাচাইকরণ চালু করুন।
  4. অ্যাকাউন্টে আগে থেকে কোনো ঠিকানা বা পেমেন্টের তথ্য জমা থাকলে তা খতিয়ে দেখুন; যা আপনার নয়, তা ব্যবহার বা প্রকাশ করবেন না।
  5. ডেলিভারি রেকর্ডের তথ্য শুধু নিজের কাছে রাখুন।

কেনাকাটার ইতিহাস ও ঠিকানা এমন তথ্য, যা অন্যের হাতে গেলে ক্ষতি হতে পারে। তাই অ্যাকাউন্টটি যাঁর কাজের জন্য নেওয়া হয়েছে, লগইন শুধু তাঁর কাছেই থাকুক, আর পাসওয়ার্ড অন্য কোনো সেবার পাসওয়ার্ডের মতো না রাখুন।

বিরোধ খোলার নিয়ম ও Amazon-এর শর্ত মেনে চলা

ডেলিভারির পর সীমিত সময়ের মধ্যে অর্ডার থেকে বিরোধ খোলা যায়। প্রথমে স্টোর উত্তর দেয়; দুই পক্ষ সমাধানে না পৌঁছালে মডারেটরকে ডাকা যায়। মীমাংসা হতে পারে পূর্ণ রিফান্ডে, আংশিক রিফান্ডে, স্টোরের কাছে অর্থ ছেড়ে দেওয়ায় অথবা ভাগাভাগিতে। রিফান্ডের অর্থ ফিরে আসে আপনার rStock ব্যালেন্সে। বিরোধ খোলার সময় বিবরণে অ্যাকাউন্টের ধরন কী লেখা ছিল আর হাতে কী পেলেন, দুটির তুলনা স্পষ্ট করে লিখুন। ক্রেতা অ্যাকাউন্ট চেয়ে বিক্রেতা-পক্ষের অ্যাকাউন্ট পাওয়া, কিংবা উল্টোটা, এমন অমিল হলে বিরোধ খোলা যায়।

Amazon-এর ব্যবহারের শর্তাবলি মেনে চলাই নিরাপদ পথ। Amazon তার মালিকের ট্রেডমার্ক, আর rStock একটি স্বাধীন মার্কেটপ্লেস, যার সঙ্গে Amazon-এর কোনো সম্পর্ক নেই।

সচরাচর জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন: Amazon অ্যাকাউন্ট কেনা: ক্রেতা ও বিক্রেতা প্রোফাইলের পার্থক্য বুঝে নিন

সব গাইড