কনটেন্টে যান

Yahoo অ্যাকাউন্ট: মেইল, নিউজ ও অন্যান্য সেবার জন্য আলাদা লগইন

Yahoo মেইল অ্যাকাউন্ট কিনুন বলে যাঁরা খোঁজেন, তাঁদের কেউ নিউজলেটার ও রেজিস্ট্রেশনের জন্য আলাদা ইনবক্স চান, কেউ বহুদিনের পরিচিত ধাঁচের একটি ঠিকানা পছন্দ করেন। একটি Yahoo লগইন শুধু চিঠির বাক্স নয়, ব্র্যান্ডের অন্যান্য সেবারও প্রবেশপথ, তাই লিস্টিং কী বলছে তা মন দিয়ে পড়া জরুরি। এই গাইডে rStock-এ সেই পড়া, কেনা এবং পাওয়ার পরের ধাপগুলো গুছিয়ে দেওয়া হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেট:

rStock ক্যাটালগে

Yahoo!

1টি সক্রিয় লিস্টিং

ক্যাটাগরিতে যান

Yahoo অ্যাকাউন্ট কেন খোঁজা হয়

ইন্টারনেটের গোড়ার দিক থেকে পরিচিত ওয়েবমেইল নামগুলোর একটি হলো Yahoo! মেইল। এখনো বহু মানুষ পুরোনো Yahoo ঠিকানা ধরে রেখেছেন, কারণ বন্ধু, সহপাঠী আর পুরোনো সহকর্মীরা সেই ঠিকানাই চেনেন। নতুন করে আলাদা Yahoo অ্যাকাউন্টের দরকার পড়ে সাধারণত এমন কারণে:

  • অনলাইন ফর্ম, নিউজলেটার আর রসিদের মেইল আলাদা ইনবক্সে জমিয়ে রাখতে;
  • কোনো প্রকল্প বা ক্লাবের জন্য ব্যক্তিগত ঠিকানা থেকে আলাদা একটি সংযোগ-ঠিকানা রাখতে;
  • যেসব সেবা বা প্রতিষ্ঠান Yahoo ঠিকানা দিয়েই লগইন চায়, সেখানে ঢুকতে;
  • পরিবারের কারও জন্য সহজ ও পরিচিত ধাঁচের একটি মেইল ঠিকানা চালু করতে।

লক্ষ্য সবসময় নিজের বৈধ প্রয়োজন মেটানো। অন্য কারও পরিচয় নিয়ে বার্তা পাঠানো বা প্রতারণামূলক কাজে মেইলবক্স ব্যবহার করা এই গাইডের আওতার বাইরে।

মেইল ও অন্যান্য সেবার জন্য একটি লগইন

Yahoo!-র একটি লগইন দিয়ে সাধারণত ইনবক্সের পাশাপাশি ব্র্যান্ডের আরও কিছু সেবায় ঢোকা যায়, যেমন খবর ও অন্যান্য পরিষেবা। ফলে এই লগইন মানে শুধু একটি ঠিকানা নয়, একসঙ্গে বাঁধা একটি ছোট পরিচয়। এতে কিছু বিষয় মাথায় রাখা ভালো।

একই লগইনে যা জমা থাকতে পারে

ইনবক্সের বার্তা, সংরক্ষিত তালিকা, ব্রাউজারে সেভ করা পাসওয়ার্ড আর অন্য অ্যাপের সংযোগ সবই একটি পরিচয়ের সঙ্গে জুড়ে থাকে। তাই অ্যাকাউন্ট হাতে পেলে কোন কোন জায়গায় সেটি যুক্ত, তা একবার ঘুরে দেখুন।

ব্যক্তিগত ও কাজের মেইল আলাদা রাখুন

যে কাজের জন্য অ্যাকাউন্টটি নিচ্ছেন, সেই কাজের বার্তা শুধু এখানেই আসুক। ব্যাংক বা সরকারি সেবার মতো স্পর্শকাতর নিবন্ধন যেখানে আপনার নিজের স্থায়ী ঠিকানা দরকার, সেখানে কাজের অ্যাকাউন্ট না দেওয়াই নিরাপদ।

লিস্টিংয়ে কী কী মিলিয়ে দেখবেন

একই ব্র্যান্ডের দুটি লিস্টিং দুই রকম জিনিস দিতে পারে। অর্থ খরচের আগে বিবরণে এই তথ্যগুলো খুঁজুন:

  • ঠিকানাটি ঠিক কেমন: শুধু মেইলবক্স, নাকি Yahoo-র অন্য সেবাও যুক্ত;
  • অ্যাকাউন্টের সঙ্গে কোনো রিকভারি ইমেইল বা ফোন নম্বর জোড়া আছে কি না এবং সেটি কার নিয়ন্ত্রণে থাকবে;
  • অঞ্চল বা ভাষা-সংক্রান্ত কোনো তথ্য উল্লেখ আছে কি না;
  • ইনবক্স আগে ব্যবহার হয়েছে, নাকি একদম নতুন, সে বিষয়ে কী লেখা আছে;
  • কোনো বিশেষ শর্ত বা সীমাবদ্ধতার কথা বলা আছে কি না।

যা লেখা নেই তা নিয়ে অনুমান না করে ক্যাটাগরি পেজে একাধিক স্টোরের বর্ণনা পাশাপাশি রাখুন। এখানে কেনার আগে কোনো প্রশ্নোত্তরের সুযোগ নেই, ক্রেতা আর স্টোরের বার্তা শুধু খোলা বিরোধের ভেতরে চলে; তাই বিবরণই আপনার প্রধান ভরসা।

স্টোর দেখে সিদ্ধান্ত: রেটিং, রিভিউ ও বিমা ব্যালেন্স

স্টোর প্ল্যাটফর্মে বিক্রি শুরুর আগে rStock-এর অনুমোদন পায়, আর প্রতিটি লিস্টিং প্রকাশের আগে পর্যালোচনা হয়। কিন্তু ডেলিভারি হওয়া মেইলবক্স rStock খুলে দেখে না, পরীক্ষা বা প্রত্যয়নও করে না। তাই প্রোফাইল থেকে এই সূত্রগুলো একসঙ্গে পড়ুন:

  • বিক্রয়ের সংখ্যা: স্টোর কতটা লেনদেনের অভিজ্ঞতা রাখে, তার একটি আভাস দেয়;
  • রেটিং ও রিভিউ: ক্রেতাদের মন্তব্য পড়ুন, বিশেষ করে মেইল-জাতীয় অ্যাকাউন্ট নিয়ে লেখা মন্তব্য; রিফান্ড হওয়া অর্ডার আলাদা চিহ্ন পায়;
  • বিমা ব্যালেন্স: স্টোর যে অর্থ প্ল্যাটফর্মের কাছে রেখেছে, তা আস্থার একটি সংকেত।

স্পনসরড স্থান সবসময় লেবেলযুক্ত থাকে এবং পেইড প্ল্যানের জন্য কোনো স্টোর লুকানো র‍্যাঙ্কিং সুবিধা পায় না।

অর্ডার, ডেলিভারি রেকর্ড ও পাওয়ার পর করণীয়

কেনার পথটা ছোট। প্রথমে যাচাই করা ইমেইল ঠিকানা লাগে। তারপর Cryptomus দিয়ে ক্রিপ্টোকারেন্সি পাঠিয়ে ব্যালেন্স টপ-আপ করতে হয়, যা USDT-তে জমা হয়; এ ছাড়া আর কোনো পেমেন্টের পথ নেই। এরপর Yahoo ক্যাটাগরি পেজ থেকে একটি পণ্য বেছে পরিমাণ দিন। মূল্য কাটা হয় আপনার rStock ব্যালেন্স থেকে, আর ডেলিভারির তথ্য অর্ডার পেজে ডেলিভারি রেকর্ড হয়ে থাকে। সিস্টেম একই আইটেম দুজনকে বিক্রি হতে দেয় না, এবং আপনার অর্থ আপাতত আটকে রাখা হয়।

ইনবক্স হাতে আসার পর

  1. অর্ডার পেজের তথ্য দিয়ে ঢুকে দেখুন, ঠিকানা ও বিবরণ মিলছে কি না।
  2. পাসওয়ার্ড বদলান এবং রিকভারির ইমেইল ও ফোন নম্বর এমন তথ্যে নিন, যা আপনার নিজের নিয়ন্ত্রণে।
  3. দুই-ধাপ যাচাইকরণ চালু করুন।
  4. সেটিংসে মেইল ফরওয়ার্ডিং, ফিল্টার নিয়ম আর সংযুক্ত অ্যাপের তালিকা খুলে দেখুন; অচেনা কিছু থাকলে সরিয়ে দিন।
  5. সক্রিয় ডিভাইস বা সেশনের তালিকা থাকলে আপনার নিজের ছাড়া বাকি সব থেকে লগ আউট করুন।

ইনবক্সে আগের কোনো বার্তা বা ঠিকানা দেখতে পেলে সেগুলো পড়ে ব্যবহার বা ছড়িয়ে দেওয়ার দরকার নেই। ডেলিভারির তথ্য শুধু নিজের কাছে রাখুন, শেয়ার করা কম্পিউটারে পাসওয়ার্ড সেভ করবেন না।

বিরোধ ও Yahoo!-র ব্যবহারের শর্তাবলি

বর্ণনার সঙ্গে অ্যাকাউন্ট না মিললে ডেলিভারির পর সীমিত সময়ের মধ্যেই অর্ডার থেকে বিরোধ খুলুন। প্রথম জবাবটি আসে স্টোরের দিক থেকে; দুই পক্ষ একমত না হলে মডারেটর ডাকা যায়। সমাধান হতে পারে পূর্ণ রিফান্ড, আংশিক রিফান্ড, স্টোরকে অর্থ ছেড়ে দেওয়া কিংবা ভাগাভাগি, আর রিফান্ডের অর্থ যায় আপনার rStock ব্যালেন্সে।

Yahoo!-র নিজস্ব ব্যবহারের শর্তাবলি মেনে মেইলবক্স ব্যবহার করুন। Yahoo! তার মালিকের ট্রেডমার্ক, আর rStock একটি স্বাধীন মার্কেটপ্লেস, যার সঙ্গে Yahoo!-র কোনো সম্পর্ক নেই।

সচরাচর জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন: Yahoo অ্যাকাউন্ট: মেইল, নিউজ ও অন্যান্য সেবার জন্য আলাদা লগইন

সব গাইড