কনটেন্টে যান

LinkedIn অ্যাকাউন্ট: নেটওয়ার্কিং, নিয়োগ ও ব্যবসার উপস্থিতির জন্য

নিয়োগকর্মী, বিক্রয় দল ও চাকরিপ্রার্থীদের অনেকেই কাজের জন্য একটি পৃথক পেশাদার প্রোফাইল চান। LinkedIn অ্যাকাউন্ট কেনার আগে বুঝে নেওয়া দরকার, লিস্টিংয়ে কী পড়বেন, স্টোরকে কীভাবে বিচার করবেন এবং কেন প্রোফাইলে সত্য তথ্যই দিতে হবে। এই গাইড rStock-এ সেই পথের ধাপগুলো সাজিয়ে দিয়েছে।

সর্বশেষ আপডেট:

rStock ক্যাটালগে

LinkedIn

এই মুহূর্তে কোনো সক্রিয় লিস্টিং নেই

ক্যাটাগরিতে যান

LinkedIn অ্যাকাউন্ট কারা খোঁজেন: নিয়োগ, বিক্রয় ও ব্র্যান্ডিং

LinkedIn পেশাজীবীদের নেটওয়ার্ক, যেখানে মানুষ নিজের অভিজ্ঞতা, দক্ষতা ও কোম্পানির পরিচয় তুলে ধরেন এবং কাজের সুযোগ, সহযোগী বা গ্রাহকের সন্ধান করেন। আলাদা অ্যাকাউন্টের প্রয়োজন যাঁদের হয়, তাঁরা সাধারণত এমন:

  • নিয়োগকর্মী ও এইচআর দল, যাঁরা প্রার্থী খোঁজা ও যোগাযোগের কাজ একটি প্রোফাইলে সংগঠিত রাখতে চান;
  • বিক্রয় ও ব্যবসা উন্নয়ন দল, যারা সম্ভাব্য গ্রাহকদের সঙ্গে পেশাদার পরিচয়ে সংযোগ গড়ে;
  • চাকরিপ্রার্থী বা ফ্রিল্যান্সার, যিনি নতুন ক্ষেত্রে নিজেকে পরিচিত করাতে চান;
  • ছোট কোম্পানি বা এজেন্সি, যাদের ব্র্যান্ডের পক্ষে কথা বলার একটি প্রোফাইল দরকার।

সৎ পরিচয় ও সত্য তথ্যের গুরুত্ব

পেশাদার নেটওয়ার্কে বিশ্বাসই সবচেয়ে বড় সম্পদ। তাই এই গাইডের সবচেয়ে জরুরি কথা হলো: অন্য কারও নাম, ছবি, পদবি বা যোগ্যতা ব্যবহার করবেন না, আর নিজের প্রোফাইলে ভুয়া শিক্ষাগত যোগ্যতা, মিথ্যা কাজের অভিজ্ঞতা বা বানানো সুপারিশ লিখবেন না। কেনা অ্যাকাউন্ট আপনার পেশাদার উপস্থিতির একটি শুরুর জায়গা হতে পারে, কিন্তু প্রোফাইলে যা থাকবে তা সত্যিই আপনার বা আপনার প্রতিষ্ঠানের হতে হবে।

হাতে পাওয়ার পর প্রোফাইলের নাম, ছবি ও অভিজ্ঞতার অংশ নিজের সত্য তথ্য দিয়ে হালনাগাদ করাই সঠিক অভ্যাস। এতে যোগাযোগের অপর পক্ষ বিভ্রান্ত হয় না, আর আপনার নিজের সুনামও ক্ষতিগ্রস্ত হয় না।

লিস্টিংয়ে প্রোফাইলের কোন তথ্য দেখবেন

প্রোফাইল বিষয়ক বিবরণে নিচের বিষয়গুলো খুঁজে দেখুন:

  • প্রোফাইলের ভাষা, অঞ্চল বা শিল্পক্ষেত্র নিয়ে কিছু বলা আছে কি না;
  • অ্যাকাউন্টের সঙ্গে যুক্ত ইমেইল ও তার প্রবেশের তথ্য ডেলিভারিতে থাকছে কি না;
  • প্রোফাইল কতটা সাজানো, এমন কোনো বর্ণনা আছে কি না, আর থাকলে তা স্পষ্ট কি না;
  • কোনো সীমাবদ্ধতা বা বিশেষ শর্তের উল্লেখ আছে কি না।

কেনার আগে স্টোরের সঙ্গে চ্যাট হয় না; বার্তা আদান-প্রদানের সুযোগ কেবল খোলা বিরোধের ভেতরে। সুতরাং বিবরণকেই প্রধান তথ্যসূত্র ধরুন এবং যা লেখা নেই, তা নিজে থেকে ধরে নেবেন না।

স্টোর দেখে সিদ্ধান্ত: বিক্রয়সংখ্যা, রেটিং ও বিমা ব্যালেন্স

rStock প্রতিটি স্টোরকে অনুমোদন দেয় এবং লিস্টিং প্রকাশের আগে পর্যালোচনা করে। তবে অ্যাকাউন্ট নিজে যাচাই, পরীক্ষা বা প্রত্যয়ন করার কাজ rStock করে না। সেজন্য স্টোরের পাবলিক প্রোফাইলের সংকেতগুলো নিজের চোখে পড়ে নিন।

প্রোফাইলে যা যা দেখবেন

  • বিক্রয়ের সংখ্যা ও রেটিং, দুটোই একসঙ্গে;
  • রিভিউ, বিশেষ করে পেশাদার বা নেটওয়ার্কিং অ্যাকাউন্ট নিয়ে লেখা মন্তব্য। রিফান্ড হওয়া অর্ডার আলাদা লেবেলে চিহ্নিত থাকে;
  • বিমা ব্যালেন্স, অর্থাৎ স্টোর প্ল্যাটফর্মের কাছে যে অর্থ রেখেছে; এটি আস্থার একটি সংকেত।

স্পনসরড স্থান সবসময় লেবেলসহ দেখানো হয়, আর পেইড প্ল্যান কোনো স্টোরকে লুকানো র‍্যাঙ্কিং সুবিধা দেয় না।

অর্ডারের ধাপ: ইমেইল, ব্যালেন্স ও ডেলিভারি রেকর্ড

  1. ইমেইল ঠিকানা যাচাই করুন; এ ছাড়া কেনা বা ব্যালেন্স টপ-আপ করা যায় না।
  2. Cryptomus-এর মাধ্যমে ক্রিপ্টোকারেন্সি দিয়ে rStock ব্যালেন্সে টপ-আপ করুন। এটি USDT-তে জমা হয়, আর অন্য কোনো পেমেন্ট পদ্ধতি নেই।
  3. LinkedIn ক্যাটাগরি পেজে স্বাধীন স্টোরগুলোর অফার তুলনা করে একটি পণ্য বাছুন এবং পরিমাণ ঠিক করুন।
  4. পেমেন্ট ব্যালেন্স থেকে কাটা হয়। ডেলিভারির তথ্য আপনার অর্ডার পেজে ডেলিভারি রেকর্ড হিসেবে থাকে।

সিস্টেম নিশ্চিত করে, একই আইটেম যেন দুজন ক্রেতাকে না দেওয়া হয়। আপনার অর্থ প্রথমে ধরে রাখা হয়, স্টোরের হাতে তখনই ছাড়া হয় না।

পাওয়ার পর: পাসওয়ার্ড, রিকভারি তথ্য ও দুই-ধাপ যাচাইকরণ

পেশাদার প্রোফাইলে ঢোকার পথ বন্ধ না করলে কাজের যোগাযোগ, সম্ভাব্য গ্রাহকের তালিকা ও বার্তা ঝুঁকিতে পড়ে। তাই অর্ডার পেজে তথ্য আসার পর যত তাড়াতাড়ি সম্ভব:

  1. লগইন করে প্রোফাইলের বিবরণ ডেলিভারি রেকর্ডের সঙ্গে মিলিয়ে দেখুন।
  2. নিরাপত্তা সেটিংসে পাসওয়ার্ড বদলান এবং রিকভারি ইমেইল ও ফোন নম্বর নিজের নিয়ন্ত্রণের তথ্য দিয়ে হালনাগাদ করুন।
  3. দুই-ধাপ যাচাইকরণ চালু করুন।
  4. সক্রিয় সেশনের তালিকা থাকলে অচেনা ডিভাইস থেকে লগ আউট করুন।
  5. প্রোফাইলের নাম, ছবি ও অভিজ্ঞতার অংশ আপনার নিজের সত্য তথ্য দিয়ে সাজান।

প্রোফাইলে কে কখন কী করছেন, তার একটি সরল হিসাব রাখুন এবং লগইনের তথ্য গ্রুপ চ্যাটে ছড়াবেন না।

বিরোধ এবং LinkedIn-এর নিয়ম মেনে চলা

ডেলিভারির পর কোনো অমিল চোখে পড়লে সীমিত সময় ফুরানোর আগেই অর্ডার থেকে বিরোধ খুলুন। বিরোধে স্টোর জবাব দেয় আগে; না মিটলে মডারেটরকে ডাকা যায়। সম্ভাব্য পরিণতি: পূর্ণ রিফান্ড, আংশিক রিফান্ড, স্টোরের কাছে অর্থ ছেড়ে দেওয়া বা ভাগাভাগি। রিফান্ড আপনার rStock ব্যালেন্সে ফিরে আসে।

LinkedIn-এর নিজস্ব ব্যবহারবিধি মেনে চলুন; অ্যাকাউন্ট ব্যবহারের নিয়ম তারাই ঠিক করে। বিশেষ করে ভুয়া পরিচয়, বিভ্রান্তিকর তথ্য বা অযাচিত গণবার্তা এড়িয়ে চলুন। rStock একটি স্বাধীন মার্কেটপ্লেস। LinkedIn তার মালিকের ট্রেডমার্ক, এবং rStock তার সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।

সচরাচর জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন: LinkedIn অ্যাকাউন্ট: নেটওয়ার্কিং, নিয়োগ ও ব্যবসার উপস্থিতির জন্য

সব গাইড