কনটেন্টে যান

GitCloud অ্যাকাউন্ট: কোড, হোস্টিং ও পরীক্ষার পরিবেশ নিরাপদে সাজানো

ক্লায়েন্টকে ডেমো দেখানো, অফিসের প্রকল্পের জন্য আলাদা স্টেজিং বা নিজের শেখার অ্যাপ অনলাইনে তোলার জন্য অনেক ডেভেলপার আলাদা ক্লাউড অ্যাকাউন্ট রাখেন। এই প্রয়োজনে কেউ কেউ খোঁজেন GitCloud অ্যাকাউন্ট কীভাবে কিনবেন। এই গাইডে লিস্টিং পড়া, কেনা এবং হাতে পাওয়ার পর অ্যাকাউন্ট পরিষ্কার করার কাজ ধাপে ধাপে বলা হলো।

সর্বশেষ আপডেট:

rStock ক্যাটালগে

GitCloud

এই মুহূর্তে কোনো সক্রিয় লিস্টিং নেই

ক্যাটাগরিতে যান

ডেভেলপারের কাজে আলাদা ক্লাউড অ্যাকাউন্ট কেন

GitCloud ডেভেলপার ও ক্লাউড হোস্টিং অ্যাকাউন্টের একটি সেবা। এ ধরনের অ্যাকাউন্টে সাধারণত কোডের প্রকল্প রাখা, ছোট ওয়েবসাইট বা অ্যাপ চালু করা এবং পরীক্ষার জন্য আলাদা পরিবেশ তৈরি করা যায়। ঠিক কোন সুবিধা, কত রিসোর্স এবং কোন অঞ্চলের সার্ভার মিলবে, তা GitCloud নিজের প্ল্যানে ঠিক করে, তাই এখানে কোনো নির্দিষ্ট সীমা বলা হচ্ছে না।

আলাদা অ্যাকাউন্ট রাখার কারণগুলো বেশ বাস্তব:

  • ফ্রিল্যান্স ওয়েব ডেভেলপার: প্রতিটি ক্লায়েন্টের ডেমো সাইট আলাদা জায়গায় রাখলে কাজ হস্তান্তরের সময় জট পাকে না।
  • ছোট সফটওয়্যার দল: মূল প্রোডাকশন পরিবেশ থেকে স্টেজিং আলাদা রাখলে একটি ভুল ডিপ্লয় আসল ব্যবহারকারীদের ক্ষতি করে না।
  • কিউএ টেস্টার: নতুন ফিচার পরীক্ষার জন্য বারবার তৈরি ও মুছে ফেলার মতো পরিবেশ দরকার হয়।
  • শিক্ষার্থী ও বুটক্যাম্পের অংশগ্রহণকারী: পোর্টফোলিওর প্রকল্প অনলাইনে রেখে নিয়োগকর্তাকে দেখাতে চান।

লিস্টিংয়ে যা দেখবেন

হোস্টিং অ্যাকাউন্টে কয়েকটি বিষয় অন্য অনেক ক্যাটাগরির চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ:

  1. প্ল্যান ও রিসোর্স: কোনো পেইড প্ল্যান, ক্রেডিট বা রিসোর্সের সীমার কথা বিবরণে আছে কি না।
  2. বিলিং: কোনো পেমেন্ট পদ্ধতি বা চালু সদস্যতা যুক্ত আছে কি না, এবং নবায়নের দায় কার।
  3. লগইন ও রিকভারি: ইমেইল ও রিকভারির নিয়ন্ত্রণ আপনার কাছে আসবে কি না।
  4. আগের অবশিষ্ট: অ্যাকাউন্টে আগে থেকে প্রকল্প, ডোমেইন, চালু সার্ভার বা ডেটাবেস আছে কি না।

বিবরণে যা নেই, তা ধরে নেবেন না। rStock-এ কেনার আগে স্টোরের সঙ্গে চ্যাট করার উপায় নেই; ক্রেতা ও স্টোরের কথা হয় শুধু খোলা বিরোধে।

স্টোর কীভাবে বিচার করবেন

rStock প্রতিটি স্টোরকে বিক্রির আগে অনুমোদন দেয় এবং লিস্টিং প্রকাশের আগে পর্যালোচনা করে। তবে ডেলিভারি হওয়া অ্যাকাউন্টের প্ল্যান বা রিসোর্স প্ল্যাটফর্ম খুলে পরীক্ষা করে না। তাই স্টোরের পাবলিক প্রোফাইলে বিক্রয়ের সংখ্যা, রেটিং ও বিমা ব্যালেন্স একসঙ্গে দেখুন। বিমা ব্যালেন্স হলো প্ল্যাটফর্মে স্টোরের জমা রাখা অর্থ, যা আস্থার একটি সংকেত মাত্র। রিভিউতে প্ল্যান মেলা বা বিলিংয়ের সমস্যা নিয়ে মন্তব্য খুঁজুন; রিফান্ড হওয়া অর্ডারের রিভিউ লেবেলসহ থাকে। স্পনসরড অফার সবসময় চিহ্নিত থাকে।

কেনার প্রক্রিয়া

প্রথমে rStock-এ ইমেইল যাচাই করুন; যাচাই ছাড়া কেনা বা টপ-আপ হয় না। তারপর Cryptomus-এর মাধ্যমে ক্রিপ্টোকারেন্সি দিয়ে ব্যালেন্স টপ-আপ করুন, যা USDT-তে জমা হয়। GitCloud ক্যাটাগরি পেজে স্বাধীন স্টোরগুলোর অফার থেকে একটি পণ্য বেছে পরিমাণ দিন। ব্যালেন্স থেকে পেমেন্টের পর লগইনের তথ্য অর্ডার পেজে ডেলিভারি রেকর্ড হিসেবে যুক্ত হয়। অর্থ ধরে রাখা হয়, স্টোরের কাছে তখনই যায় না; একই আইটেম দুজনের কাছে বিক্রি হয় না।

হাতে পাওয়ার পর পরিষ্কারের তালিকা

হোস্টিং অ্যাকাউন্টে আগের মালিকের রেখে যাওয়া একটি কী-ও বড় ঝুঁকি হতে পারে। তাই নিচের কাজগুলো দেরি না করে করুন:

  • পাসওয়ার্ড বদলান এবং লগইন ইমেইল নিজের ঠিকানায় নিন;
  • দুই-ধাপ যাচাইকরণ চালু করে রিকভারি কোড আলাদা জায়গায় রাখুন;
  • এসএসএইচ কী, এপিআই টোকেন ও সংযুক্ত অ্যাপের তালিকা খুলে অচেনা সবকিছু মুছে দিন;
  • টিম বা সহযোগীর তালিকায় অচেনা সদস্য থাকলে সরিয়ে দিন;
  • আগের প্রকল্প বা চালু পরিষেবা থাকলে বন্ধ করে মুছে ফেলুন;
  • বিলিং অংশ খুলে দেখুন কোনো অপ্রত্যাশিত খরচ চলছে কি না।

পাসওয়ার্ড বা টোকেন কখনো কোডের মধ্যে বা রিপোজিটরিতে রাখবেন না; পরিবেশ ভেরিয়েবল বা গোপন তথ্য রাখার ব্যবস্থা ব্যবহার করুন।

পরিষ্কারের কাজ শেষে একটি ছোট পরীক্ষামূলক প্রকল্প চালু করে দেখুন ডিপ্লয়, লগ দেখা ও ডোমেইন সংযোগের মতো মৌলিক কাজগুলো ঠিকমতো হচ্ছে কি না। কোনো ধাপে সমস্যা পেলে সেটির স্ক্রিনশট ও সময় লিখে রাখুন, কারণ বিরোধ খুলতে হলে এই তথ্যই কাজে আসবে। সব ঠিক থাকলে তবেই আসল কাজের প্রকল্প সরিয়ে আনুন।

দায়িত্বশীল হোস্টিং ও GitCloud-এর শর্ত

ম্যালওয়্যার ছড়ানো, ফিশিং পেজ বানানো, অনুমতি ছাড়া অন্যের সাইটে আক্রমণ বা অবাঞ্ছিত গণমেইল পাঠানো, এসব কাজে অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করবেন না। গ্রাহকের ব্যক্তিগত তথ্য রাখলে আপনার দেশের তথ্য-সুরক্ষা আইন মানুন এবং নিয়মিত ব্যাকআপ রাখুন। GitCloud-এর ব্যবহারের শর্ত মেনে চলুন।

বিবরণ না মিললে

লগইন না হলে বা প্ল্যান ও রিসোর্স বিবরণের মতো না হলে ডেলিভারির পর সীমিত সময়ের মধ্যে অর্ডার পেজ থেকে বিরোধ খুলুন। স্টোর প্রথমে উত্তর দেয়; না মিটলে মডারেটরকে ডাকা যায়। ফল হতে পারে পূর্ণ বা আংশিক রিফান্ড, স্টোরকে অর্থ ছাড় কিংবা ভাগাভাগি, আর রিফান্ড যায় rStock ব্যালেন্সে। GitCloud তার মালিকের ট্রেডমার্ক; rStock একটি স্বাধীন মার্কেটপ্লেস, যা GitCloud-এর সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।

সচরাচর জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন: GitCloud অ্যাকাউন্ট: কোড, হোস্টিং ও পরীক্ষার পরিবেশ নিরাপদে সাজানো

সব গাইড